Logo
প্রিন্টের তারিখ ও সময়: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন | প্রকাশের তারিখ: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬

পকেটের টাকায় আসামি টানে পুলিশ

পকেটের টাকায় আসামি টানে পুলিশ

দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে পুলিশ। আইনি যেকোনো সমস্যা, সংকট বা বিপদে নাগরিকদের প্রথম ভরসা এই বাহিনী। নাগরিকদের নিরাপত্তায় শহর থেকে গ্রামে সবখানে দিনরাত দায়িত্ব পালন করে চলেছেন পুলিশ সদস্যরা। তবে এসব দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এই বাহিনীর সদস্যদের।

গাড়ি সংকটে দায়িত্ব পালন ব্যাহত হচ্ছে সরকারি এই বাহিনীর। পুলিশ সদস্যরা বলছেন, পর্যাপ্ত পরিবহন না থাকার কারণে অনেক সময় অপরাধী ধরতে বেগ পেতে হচ্ছে। এমনকি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই নিরাপদে সরে পড়ছেন অপরাধীরা। অপরাধীদের গ্রেফতার করলেও সরকারি বরাদ্দ গাড়ি না থাকায় আদালতে পৌঁছে দেওয়াসহ নানান সমস্যায় পড়তে হয় এই বাহিনীকে।

গাইবান্ধা জেলার সাতটি থানা ও আটটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সদস্যদের বক্তব্যেই এমন সমস্যার কথা উঠে এসেছে। তারা বলছেন, সরকারি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পর্যাপ্ত গাড়ি বরাদ্দ দেওয়া সময়ের দাবি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানায় একটিমাত্র গাড়ি বরাদ্দ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসির) জন্য নিজস্ব কোনো সরকারি গাড়ি বরাদ্দ নেই। কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে, মাঠ পর্যায়ে অভিযান, আসামি গ্রেফতার—সব কাজেই গাড়িটি ব্যবহার করা হয়। গ্রেফতারের পর আসামিকে আদালতে নিতে ভরসা নিজস্ব মোটরসাইকেল, ভাড়া করা সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা অন্য কোনো যানবাহন।

ফুলছড়ি থানার ওসি মো. দুরুল হুদা  বলেন, ‌‘থানায় মাত্র একটি গাড়ি বরাদ্দ থাকায় অপারেশন থেকে শুরু করে আদালতে আসামি নেওয়া পর্যন্ত আমাদের অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়। বিশেষ করে বড় ধরনের ক্রিমিনাল নিয়ে যাওয়া আসা করতে অনেক সমস্যা হয়। আসামি পালিয়ে যায় কি-না শঙ্কায় থাকেন পুলিশ সদস্যরা। বিয়ষটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানালেও আজ পর্যন্ত গাড়ি বরাদ্দ দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’